উইন্ডোজ 7এর ভার্চুয়াল মেমোরি কনফিগার করার পদ্ধতি

অনেক সময় উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা একটি বার্তা টাস্কবারে পেয়ে থাকেন “windows virtual memory is too low”। এই সমস্যার সমাধান করবেন কি করে.

এর আগে জেনে নেই ভার্চুয়াল মেমরি কী?

ভার্চুয়াল মেমরি হল আপনার হার্ডডিস্কের একটি ফ্রি স্পেস যা উইন্ডোজ RAM  এর মত ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে তথ্য জমা রাখে। প্রয়োজন শেষে নিজে থেকেই মুছে ফেলে। এটি RAM  এর থেকে অনেক স্লো কিন্তু যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশান চালানোর জন্য এক্সট্রা মেমরির দরকার হয়, তখন এর প্রয়োজন হয়।
যাদের ৪ বা ৬ গিগাবাইট RAM  থাকে, তাদের ভার্চুয়াল মেমরি না ব্যবহার করলেও চলে। কিন্তু বলা তো যায় না কখন দরকার লাগে, তাই উইন্ডোজ ডিফল্টভাবে আপনার সিস্টেম ড্রাইভের কিছু অংশ রেখে দেয় ভার্চুয়াল মেমরি হিসেবে।

আসুন দেখি কি ভাবে ভার্চুয়াল মেমরি বাড়াবেন বা কমাবেনঃ 

প্রথমে My Computer এ right click করে properties ওপেন করুন।

তারপরে বামে ছবিতে দেখানো মত Advanced System Settings এ ক্লিক করুন।

এরপর advanced ট্যাবের settings এ ক্লিক করুন
Performance options এর advanced ট্যাবে ছবির মত change বাটন ক্লিক করুন।

Automatically manage paging files for all drives এর টিক চিহ্ন তুলে দিন।

Custom size এ সিলেক্ট করে সেখানে initial size ও maximum সাইজ দিন।  initial size অবশ্যই আপনার RAM  এর সমান ও ম্যাক্সিমাম সাইজ আপনার RAM  এর  দ্বিগুন দিন।

Set ক্লিক করে OK ক্লিক করুন।
কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে চাইলে রিস্টার্ট করুন।
এখানে উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীদের জন্য দেখানো হয়েছে। উইন্ডোজ এক্সপির জন্যেও প্রায় একই ভাবে করা যায়।

 

LCD ও LED মনিটরের পার্থক্য

মনিটর এর ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল  হালকা-পাতলা গড়নের এলসিডি মনিটর। কিন্তু বর্তমানে এলসিডিকে ছাপিয়ে এলইডি মনিটর ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যার মূলে রয়েছে এলইডি মনিটরের বেশ কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য। এলইডি মনিটরে ছবি দেখার সাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি এর পিকচার কোয়ালিটিও খুবই উন্নত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এলইডি মনিটর, এলসিডি মনিটরেরই একটি উন্নত রূপ।

LCD ও LED মনিটরের কিছু পার্থক্য

টেকনোলজী:
সাধারণ এলসিডি মনিটরে লাইটিং এর জন্য লাইটিং প্যানেল ব্যবহৃত হয়। দুইটি পাতলা, স্বচ্ছ কাঁচের প্যানেলের মাঝে polaraised Liquid Crystal থাকে, যা ছবি তৈরী করে। অপরদিকে এলইডি মনিটরে ব্যবহার করা হয় CCFL [Cold Cathode Fluoroscent Lamps] নামে একপ্রকার ব্যাকলাইটিং ডায়োড [Light Emitting Diode]। এর নামানুসারেই LED মনিটরের এরূপ নামকরণ হয়েছে।

পাওয়ার কনসাম্পশন:
এলইডি মনিটরের পাওয়ার কনসাম্পশন এলসিডির তূলনায় নগণ্যই বলা চলে। এলসিডি অপেক্ষা প্রায় ৪০% কম পাওয়ার খরচ করে এলইডি মনিটর।

Viewing Angle:
LED মনিটরে প্রযুক্তিগত কারণেই LCD মনিটরের চেয়ে তূলনামূলকভাবে ভালো viewing angle পাওয়া যায়। তীর্যকভাবে দেখলে LCD monitor এ যেমন রং চেন্জ হয়ে যায় মনে হয়, কন্ট্রাস্ট খারাপ মনে হয়, LED monitor এ সেইসব সমস্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

Sun light viewing:
উজ্জল সূর্যের আলোতে এলইডি মনিটরে এলসিডির তুলনায় ভালো দেখা যায়। এইজন্য বর্তমান যুগের মোবাইল বা ট্যাবলেট পিসি গুলোতে LED বা LED এর কিছু উন্নততর সংস্করণ, যেমন AMOLED [Active-Matrix Organic Light-Emitting Diode] বা Super AMOLED ব্যবহৃত হচ্ছে।

কন্ট্রাস্ট:
LED মনিটরের ডায়নামিক এবং টিপিক্যাল উভয় প্রকার কন্ট্রাস্টই LCD মনিটরের তূলনায় বেশি। ফলে শার্প ইমেজ পাওয়া যায়। কন্ট্রাস্ট বেশি হলে “ডিটেইল” গুলোও ভালোভাবে দেখা যায়। সুতরাং গেমিং বা মুভির আসল মজা LED তেই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করা যায়।

চোখের জন্য আরামদায়কতা:
এইদিক থেকেও এলইডি এগিয়ে রয়েছে। এলইডি মনিটরে দীর্ঘসময় ধরে তাকিয়ে থাকতেও অস্বস্তি বোধ হয়না। কিন্তু এলসিডি মনিটর সামান্য হলেও চোখের জন্য কম আরামদায়ক। মুভি দেখার জন্য LED তাই খুবই উপকারী।

স্থায়ীত্ব:
হিসাব করে দেখা গেছে একটি LCD montior ৬০,০০০ ঘন্টা [দিনে ১০ ঘন্টা করে প্রায় ১৬ বছর] পর্যন্ত চলতে পারবে যেখানে LED monitor ১০০,০০০ ঘন্টা [দিনে ১০ ঘন্টা করে প্রায় ২৭ বছর!] পর্যন্ত চলতে সক্ষম। তবে ব্যাপারটি এমন নয় যে এই সময়ের পরে মনিটর নষ্ট হয়ে যাবে… ব্যাপারটি হল: এই সময়ের পরে কেনার সময়ের সময় যেই ব্রাইটনেস ছিল, তা কমতে থাকবে।

তাপমাত্রা:
যেহেতু LED তে LCD এর চেয়ে কম বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হয়, তাই স্বাভাবিকভাবেই LED monitor, LCD monitor এর চেয়ে কম গরম হয়।

পরিবেশ বান্ধবতা:
এলসিডি মনিটরে ব্যবহার করা হয় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পারদ। নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত না করলে তা পরিবেশের ক্ষতি করে। অপরদিকে এলইডি মনিটরে পারদ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

দাম:
এলসিডি ও এলইডি মনিটরের ক্ষেত্রে দামের পার্থক্য খুব একটে বেশি নয়। তুলনামূলক ভাবে এলইডি মনিটরের দাম এলসিডি মনিটরের তুলনায় বেশি।পাওয়ার কনসাম্পশন ও অন্য সবকিছু মিলিয়ে দেখলে LED ই বেশি সুবিধা জনক ।

কমপিউটার মাদারবোর্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

মাদারবোর্ড একটি সার্কিট যার মাধ্যমে প্রসেসর, মেমোরি, এক্সপানশন কার্ড সহ আরও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযুক্ত থাকে। একটি মাদারবোর্ড এর মূলত নিম্ললিখিত জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ ।
১) সকেট
২) চিপসেট
৩) বায়োস

১) সকেট -
সকেট হচ্ছে একটি ইন্টারফেস যার সাহায্যে প্রসেসর কে মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত করা হয়। বিভিন্ন মডেলের প্রসেসরের জন্য বিভিন্ন সকেট ব্যবহার হয়। দুই ধরণের সকেট হয়ে থাকে। একটা হল ZIF আর আরেকটি হল LGA. Land Grid Array কে LGA বলা হয়। Zero Insertion Force কে ZIF বলে।। মূলত সব মাদারবোর্ড কোম্পানিই প্রায় সব ধরনের সকেট এর মাদারবোর্ড তৈরি করে থাকে। কোন নির্দিষ্ট প্রসেসররে জন্য যে সকেট লাগে, তা সাধারনত সেই প্রসেসর যে কোম্পানি তৈরি করেছে তারাই তা তৈরি এবং অন্য দের দিয়ে থাকে। যেমন ইন্টেল Core i3, i5, i7 সিরিজ এর জন্য যে সকেট লাগে তা ইন্টেল তৈরি করে ও তারপর মাদারবোর্ড কোম্পানি তা ইন্টেল থেকে কিনে নিয়ে তাদের মাদারবোর্ড এ ব্যাবহার করে। এখন LGA সকেট সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রসেসরের জন্য বিভিন্ন সকেট আছে। যেমন পেন্টিয়াম প্রসেসরের সকেট হল LGA 771. কোর টু ডুও এর সকেট LGA 775. আর কোর সিরিজের প্রসেসর বসানো হয় LGA 1156 সকেটে। বিভিন্ন সকেটের বাস স্পীড আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।

ZIF সকেট -












LGA সকেট -








কোর টু ডুও সকেট -












সাধারণত একটা বোর্ড এ একটাই প্রসেসর থাকে। তবে সম্প্রতি একাধিক প্রসেসর সকেট-যুক্ত বোর্ড পাওয়া যায়।


২) চিপসেট -
কমপিউটার এর চিপ হচ্ছে খুবই ছোট আকারের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট। সিলিকন সেমিকনডাকটর ও ট্রানজিসটর একসাথে করে এই চিপ বানানো হয়। চিপসেট হচ্ছে বিশেষ কিছু চিপের সমন্বয় যা এক্সপানশন কার্ড গুলতে থাকে এবং তা ইলেক্ট্রনিক ডাটা সিগনাল পরিবহনের কাজ করে। চিপসেট বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে যা একটি মডেল নাম্বার দ্বারা সূচিত করা হয়।অর্থাত চিপসেট হল যে পেরিফেরাল প্রসেসর এবং অন্যান্য ডিভাইস এর সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলে। আধুনিক আর্কিটেকচার অনুযায়ী মাদারবোর্ড চিপকে দুইটি অংশে ভাগ করা হয়। একটাকে বলা হয় নর্থব্রিজ আরেকটা সাউথব্রিজ।

নর্থব্রিজ:
এটা মাদারবোর্ড এর হাই-স্পীড ডিভাইসগুলোকে কন্ট্রোল করে। অর্থাৎ প্রসেসর, র‍্যাম, ভিডিও প্রসেসর এর সাথে যুক্ত থাকে। একে অনেক সময় ‘মেমরি কন্ট্রোলার হাব’ও বলা হয়। আপনারা মাদারবোর্ডে যে হিটসিঙ্ক দেখতে পান তার নিচের চিপটাই নর্থব্রিজ। এটা একই সাথে প্রসেসর, ভিডিও আর র‍্যামকে কন্ট্রোল করে। বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স কার্ডে এটাই ভিডিও প্রসেসর হিসেবে কাজ করে। আধুনিককালে নর্থব্রিজের সবটুকু অংশ প্রসেসরে ইন্টিগ্রেট করা হয়েছে। তাই মাদারবোর্ড এ বাকি যে চিপ থাকে সেটা সাউথব্রিজ।

সাউথ ব্রিজ:
মাদারবোর্ড এর অন্যান্য স্লো-স্পীড ডিভাইস যেমন বায়োস, পিসিআই বাস, ইউএসবি,  স্টোরেজ ডিভাইস, ক্লক, অডিও ডিভাইস, এনআইসি ইত্যাদি কন্ট্রোল করে যে চিপ সেটা সাউথ ব্রিজ। আপনারা মাদারবোর্ড এ হিটসিঙ্ক ছাড়া আরেকটি যে বড় চিপ দেখতে পান সেটাই সাউথ ব্রিজ।

নর্থব্রিজ আর সাউথব্রিজের ছবি –



মাদারবোর্ড এ বিভিন্ন মডেলের চিপসেট লাগানো থাকে। 910, 915, 945, 965, 975, P31, P35, G31, G33, G35, X38, X48, P43, P45, G31, G33, G41, G43, G45, H55, H57, H61, H67, X79 ইত্যাদি হল বিভিন্ন চিপসেট। আলাদা আলাদা চিপসেটের বাস, পোর্ট, পিসিআই স্লট ইত্যাদি এর ধারণক্ষমতা আলাদা আলাদা হয়।

 ৩) বায়োস -

বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম বা বায়োস হচ্ছে কমপিউটার এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা কমপিউটার এর সকল সিস্টেম ইনফরমেশন সংরক্ষিত করে রাখে। যেমন প্রসেসর মডেল, স্পিড, RAM এর পরিমান, হার্ডডিস্ক এর মডেল, সহ আরও অনেক কিছু যা হার্ডওয়্যার পরিবর্তন করলেও নিজে নিজে তার তালিকা তৈরি করে নেয়। বর্তমানে নতুন মাদারবোর্ড এর বায়োস সকল রকমের Overclock করার ব্যাপারে সহায়তা করে। তাছাড়া এতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনের ব্যাবস্থা আছে যাতে করে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার উপরে পিসি কাজ বন্ধ করে দেয়। তাছাড়া বর্তমানে গিগাবাইটের ডুয়াল বায়োস সমৃদ্ধ মাদারবোর্ড এ একটি সেকেন্ডারি বায়োস আছে যা প্রথমটি নষ্ট হয়ে গেলেও পিসি কে সচল রাখে।

ভোলাটাইল মেমরি: 
ভোলাটাইল মেমরি মানে হল যে মেমরি পাওয়ার চলে গেলে মুছে যায়। RAM বা Random Access Memory  হল ভোলাটাইল মেমরি। RAM দুই ধরণের হয়ে থাকে। এখন D-RAM বা ডাইনামিক র‍ন্ডম অ্যাক্সেস মেমরি বেশি ব্যাবহৃত হয়। এটা প্রসেসর এর কার্যক্ষেত্র বা ড্রাফট পেপারের মত কাজ করে। মেমরি লাগানোর জন্য যে স্লট থাকে তাকে বলে DIMM বা Dual In-line Memory Module. আধুনিক র‍্যাম বা মেমরি মডিউলে সার্কিট বোর্ডের দুপাশে মেমরি চিপ বসানো থাকে বলে এরকম বলা হয়। মেমরি দেখতে এরকম -

নন-ভোলাটাইল মেমরি:
পাওয়ার চলে গেলেও যেসব ডিভাইস স্থায়ীভাবে ডাটা রেখে দিতে পারে তাদের নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। হার্ডডিস্ক, অপ্টিকাল ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি হল এরকম মেমরির উদাহরণ।

সিস্টেম ক্লক:
মাদারবোর্ড এ একটা আইসি থাকে যেটা থেকে নির্দিষ্ট সময় পর পর সিগনাল উৎপন্ন হয়। আপনারা জানেন যে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস গুলো কাজ করে স্পন্দনের সাহায্যে। এই টাইম সিগনাল জেনারেটর পিসি চালু হওয়ার সময় নির্দিষ্ট মানের সিগনাল উৎপন্ন করে দেয়। তবে এই স্পন্দনকে পরিবর্তন করে আরো বেশী পারফরমেন্স পাওয়া সম্ভব যাকে বলে ওভারক্লকিং।

এক্সপেনশান স্লট:
মাদারবোর্ড এ বিভিন্ন পেরিফেরাল যুক্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি পিসিআই বা পিসিআই-ই স্লট থাকে। এগুলোতে ল্যান কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ভিডিও কার্ড, টিভি কার্ড, মডেম, ওয়াই-ফাই কার্ড ইত্যাদি লাগানো যায়। এখনকার মাদারবোর্ডের পিসিআই স্লটগুলো এরকম -

পাওয়ার কানেক্টর:
সমস্ত সিস্টেম চালু রাখতে শক্তির দরকার। পাওয়ার কানেক্টরের মাধ্যমে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট থেকে মাদারবোর্ড ও এর বিভিন্ন অংশ বিদ্যুৎ পায়। সাধারণত ২০ পিন বা ২৪ পিন বিশিষ্ট সকেটের মাধ্যমে মাদারবোর্ড পাওয়ার পায়।


মাদারবোর্ডের বিভিন্ন পোর্ট-


সাটা:
Serial Advanced Technology Attachment থেকেই সাটা এর নামকরণ। খুব দ্রুতগতি সম্পন্ন পোর্ট যার সাথে হার্ডডিস্ক, ডিভিডি বা সিডি ড্রাইভ ইত্যাদি লাগানো থাকে। অনেকদিন ধরে সাটা ২.০ ব্যাবহৃত হয়ে আসলেও এখন সাটা ৩.০ যুক্ত মাদারবোর্ড পাওয়া যাচ্ছে। সাটা ২.০ এর গতি ৩ গিগাবিট/সেকেন্ড আর সাটা ৩.০ এর গতি ৬ গিগাবিট/সেকেন্ড। অনেক মাদারবোর্ডে ই-সাটা (External SATA) নামের আরেকটি পোর্ট থাকে। এটা আসলে সাটা পোর্টের একটা ইন্টারফেস যেটা কেসিংএর বাইরে থাকে এবং যেকোন সাটা হার্ডডিস্ক বা সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ লাগিয়ে একই গতিতে কাজ করা যায়। কিছু ল্যাপটপে ই-সাটার সাথে ইউএসবি কম্বাইন করে পোর্ট বানানো থাকে।

প্যারালাল-এটিএ:
Parallel ATA থেকে পাটা নামের উৎপত্তি। প্যারালাল পদ্ধতিতে কাজ করে বলে এর গতি অনেক কম, মাত্র ১৩৩ মেগাবিট/সেকেন্ড। আর বড় সমস্যা,একটি পোর্টে সর্বোচ্চ ২টা ডিভাইস লাগানো সম্ভব। এর সকেট ৪০ পিনের। ওয়েস্টার্ন ডিজিটালের গবেষণার ফসল এই পোর্ট যে কেবল দিয়ে লাগানো হয় তার নাম আইডিই বা Integrated Drive Electronics. SATA আসার পর থেকে এর ব্যাবহার কমে যায়।

ইউএসবি:
Universal Serial Bus নামে পরিচিত এই পোর্ট খুব বেশি জনপ্রিয় কারণ এই বাসে এমুলেট করে ডিস্ক, ফ্ল্যাশ স্টোরেজ, মডেম, ল্যান, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদি অসংখ্য ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করা সম্ভব। এর তিনটি ভার্সন রয়েছে। ইউএসবি ১.১ এর গতি ১২মেগাবিট/সেকেন্ড, ইউএসবি ২.০ এর ৪৮০মেগাবিট/সেকেন্ড, আর ইউএসবি ৩.০ এর গতি ৩গিগাবিট/সেকেন্ড।

সিরিয়াল পোর্ট ও প্যারালাল পোর্ট:
আগে এই পোর্ট গুলোর ব্যাবহার ছিল। প্রিন্টার, ক্যামেরা, মডেম, মাউস ইত্যাদি পিসি এর সাথে কানেক্ট করতে এই পোর্টগুলো ব্যাবহার করে হত।

পিএস/টু পোর্ট: 
 আইবিএম কম্পিউটার এর প্রবর্তিত Personal System/2 নামের এই পোর্টের সাহায্যে মাউস ও কিবোর্ডকে মাদারবোর্ড এর সাথে যুক্ত করা হয় এবং সাউথব্রিজ তাদের কন্ট্রোল করে। এটা ৬ পিন বিশিষ্ট হয়।

এছাড়াও মাদারবোর্ড এ ইন্টিগ্রেটেড সাউন্ড বা নেটওয়ার্ক ডিভাইস থাকলে এদের আউটপুট পোর্ট এবং প্রসেসর আর সিস্টেম কুলিং ফ্যানের পাওয়ার সকেট থাকে ।

একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে হলে কি কি জানা দরকার?

একটা ভালো গ্রাফিক্স কার্ড কেনা সহজ নয়। আসুন, কিছু তথ্য জেনে নেই যেগুলো আশা করা যায় আপনাকে ভালো গ্রাফিক্স কাড বাছাই করতে সাহায্য করবে।


graphics card
মেমোরিই  : আপনার এমন একটি কার্ড অবশ্যই বাছাই করা উচিত যাতে মেমোরি তথা র‌্যাম আছে অনেক। আপনি বর্তমান বাজার অনুযায়ী ৫১২ মেগাবাইট অথবা ১ গিগাবাইট মেমোরি যুক্ত কার্ড কিনতে পারেন। তবে সবসমই মনে রাখবেন, মেমোরিই সব নয়। গ্রাফিক্স কার্ডের বাজারে এমন অনেক কার্ড পাবেন যাদের মেমোরি অনেক বেশি কিন্তু কার্য ক্ষেত্রে সেরকম পারফরমেন্স পাওয়া য়ায়না। তবে বেশি মেমোরি সবসময়ই বাড়তি সুবিধা দিয়ে থাকে।

গ্রাফিক্স প্রসের : মেমোরি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। তবে একটি গ্রাফিক্স কার্ডের হার্ট বা মস্তিস্ক যাই বলুন, সবই হলো তার চিপ বা প্রসেসর। এটি-ই সবধরনের থ্রিডি গ্রাফিক্স রেন্ডার করে থাকে। বাজারে দুটি কোম্পানী আছে যারা এই চিপ গুলো বানাবার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে। ATI Radeon ও nVidia। কিন্তু আপনার প্রয়োজন মেটাবার জন্যে কেবল এটুকুই জানা যথেষ্ট নয় যে কার্ড ATI Radeon অথবা nVidia চিপ দিয়ে তৈরি। আপনাকে আরও কিছু জিনিস খেয়াল করতে হবে যেমন, GT, GS, GTX, XT, XTX ইত্যাদি। এই ইনিশিয়াল গুলো শুধুমাত্র অক্ষর নয় বরং তারা কার্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এর ব্যপারে তথ্য প্রকাশ করে।

পাইপলাইন ও ক্লক-স্পীড : একটি গ্রাফিক্স কার্ড এর দক্ষতা কতটুকু হতে পারে তার একটা ধারণা আপনি পেতে পারেন এর ক্লক-স্পীড ও পাইপলাইন এর মাত্রা হিসেব করে। ব্যপারটা অনেকটা এভাবেও দেখা যায়, পারফন্মমেন্স যদি হয় একটা হাইওয়ে দিয়ে ঘন্টায় কতগুলো গাড়ি ক্রস করতে পারে তবে পাইপলাইন হবে সেই হাইওয়ের লেন। যতবেশি লেন বিশিষ্ট হাইওয়ে হবে, ততবেশি গাড়ি ঘন্টায় ওই রাস্তা দিয়ে যেতে পারবে। আর ক্লক-স্পীডের তুলনা করা যায় ওই রোডের জন্যে গাড়ির স্পীড-লিমিট দিয়ে। যতবেশি স্পীডে গাড়ি যেতে পারবে, ততবেশি পরিমান গাড়ি একক সময়ে রাস্তা ক্রস করতে পারবে। এখন, এই রাস্তা দিয়ে কতগুলো গাড়ি যেতে পারবে তা নির্ভর করবে লেন সংখ্যা ও স্পীড-লিমিট এর স্বমন্বয়ের উপরে। সেভাবেই, গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষেত্রেও এর পারফন্মমেন্স অনেকাংশেই নির্ভর করবে এর পাইপলাইন এর পরিমান ও কার্ডের চিপের ক্লক-স্পীডের উপর। তবে পাইপলাইন ও ক্লক-স্পীডের মাঝে তুলনা করতে গেলে দেখা যায় বেশি পাইপলাইন বিশিষ্ট কার্ডই বেশি ভালো ফলাফল দেয়। সাধারণত, প্রাথমিক লেভেলের কার্ডগুলো চারটি, মিড লেভেলের কার্ডগুলো আট থেকে বারো এবং হাই লেভেলের কার্ডগুলো ষোল বা তার থেকেও বেশি পাইপলাইন বিশিষ্ট হয়ে থাকে।

অপারেটিং সিস্টেম ও ডাইরেক্ট এক্স : গ্রাফিক্স কার্ডের পারফন্মমেন্স বেশ খানিকটা নির্ভর করে সেটা কোন প্লাটফর্মে চলছে তার উপর। আজকালকার হাই-ফাই কার্ডগুলো উইন্ডোজ সিস্টেমের মধ্যে সবচেয়ে ভালো কাজ করে ভিস্তা ও ডাইরেক্ট-এক্স ১০ সমৃদ্ধ মেশিনগুলোতে। ডাইরেক্ট-এক্স ১০ এর বিশেষ বৈশিষ্ট হলো এটি গ্রাফিক্স কার্ড ও সিস্টেম এর মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে অত্যন্ত্য সাবলীল গতিতে। এছাড়াও আরও অনেক বিশেষ বিশেষ ফিচার আছে ডাইরেক্ট এক্স ১০ এর। সুতরাং কার্ড কিনবার সময় এটি ডাইরেক্ট এক্স ১০ সাপোর্টেড কিনা তা বুঝে নিন।

গ্রাফিক্স কার্ড কিনবার সবচেয়ে ভালো সময় বলে কিছু আছে? :
graphics card
হ্যা। আপনি যদি একটু প্লান করে চলেন, তবে কম দামে তুলনামূলক ভালো কার্ড বাজার থেকে কিনতে পারবেন। কি সে প্ল্যান? এটা হলো সময়। ATI Radeon ও nVidia নিজেদের মাঝে প্রতিদ্বন্দিতা ও তাদের বাজার ধরে রাখার চেষ্টায় প্রতি ১২ থেকে ১৮ মাসের মাথায় একটি করে নতুন চিপ বাজারে আনে। প্রতি চিপে আগেরটার তুলনায় বেশি ফিচার সাপোর্টেড। ফলাফল, নতুন চিপসহ কার্ডগুলো বাজারে আসা মাত্র পুরনোগুলোর দাম হুহু করে নেমে যায় অনেকখানি। ঠিক এই সময়টাতেই, নতুন রিলিজ হওয়া কার্ডগুলোর দিকে নজর না দিয়ে আপনি যদি তার আগের জেনারেশনের কার্ডগুলো ট্রাই করেন তবে লাভবান হবেন। বেশি দাম দিয়ে নতুন জেনারেশনের লো-এন্ড কার্ড না কিনে প্রায় সেই পরিমান টাকা খরচ করে আগের জেনারেশনের হাই-এন্ড কার্ড কেনাটা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে।


পাওয়ার সাপ্লাই:
graphics cardবর্তমানের গ্রাফিক্স কার্ডগুলো অত্যন্ত বেশি পরিমানে বিদ্যুৎ-এর প্রয়োজন। এখনকার একটি হাই-এন্ড কার্ড সমপূর্ণ ক্ষমতায় চলবার সময় প্রায় ৬০ থেকে ৮০ ওয়াট পরিমান বিদ্যুৎ টানতে থাকে। উপযুক্ত পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট না থাকলে আপনার পিসি সম্ভবত র্স্টাটই হবে না। বাজারে বর্তমানে অত্যন্ত্য দামী কিছু পাওয়ার সাপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো আপনার গ্রাফিক্স কার্ডেও ক্ষুধা মেটাতে পারবে। গ্রাফিক্স কার্ড কিনবার আগে বক্সের গায়ে এর পাওয়ার ফ্যাক্টরগুলো দেখে নিন। কার্ডগুলো সাধারণত ৪০০ ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই এ ভালো রান করে থাকে।
এসব ছাড়াও, আপনি আপনার নতুন কেনা গ্রাফিক্স কার্ডকে ভালো পরিবেশে রান করাতে পারবেন কিনা তা কিনবার আগেই চিন্তা করুন। ভালো কেসিং, ভালো কুলিং সিস্টেম ও ভালো পাওয়ার সাপ্লাই ভালো গ্রাফিক্স কার্ডের জন্যে খুবই দরকারী।

কিছু ওপেন সোর্স উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার


ওপেন সোর্সের যুগে উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের ব্যবহার ক্রমেই কমে আসছে। বর্তমানে ওপেন সোর্সের দৌলতে ব্যবহারকারীরা অর্থের বিনিময়ে সফটওয়্যার না ক্রয় করে বরং ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের দিকে ঝুঁকছে বেশি। কারণ এসমস্ত সফটওয়্যার বিনামূল্য পাওয়া যায়। ফটোশপের মত সফটওয়্যারগুলো যেমন চড়া দামে কিনতে হয় সেখানে ফটোশপের মতই বিভিন্ন ওপেন সোর্স এডিটিং সফটওয়্যারগুলো বিনামূল্য পাওয়া যাচ্ছে। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য তাই কিছু ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের কথা তুলে ধরব। এগুলোর অনেকগুলোই হয়ত অনেকে ব্যবহার করেছেন বা ব্যবহার করছেন।


১. 7-zip
7zip7-zip মূলত একটি ফাইল আর্কাইভার প্রোগ্রাম। সফটওয়্যারটি দিয়ে 7z, ZIP, GZIP, BZIP2 এবং TARফরম্যাটের ফাইলগুলো প্যাকিং এবং আন-প্যাক করা সম্ভব। তাছাড়া এটি দিয়ে RAR, CAB, ISO, ARJ, LZH, CHM, Z, CPIO,RPM, DEB এবং NSIS ফরম্যাটের ফাইলগুলোও আন-প্যাক করা যায়। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ফাইল আর্কাইভার। সফটওয়্যারটির কম্প্রেশন রেসিও WinZip এর থেকেও অনেক বেশি। বর্তমানে এটি WinZip এর বিপরীতে প্রচুর ব্যবহার করা হচ্ছে।

২. Audacity:
Audacity
Audacity ওপেন সোর্স ভিত্তিক ফ্রি রেকর্ডিং এবং সাউন্ড এডিটিং সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। সফটওয়্যারটি দিয়ে সরাসরি সাউন্ড রেকর্ডিং, কনভার্টিং ও Ogg Vorbis, MP3 এবং WAV সাউন্ড ফরম্যাট ফাইলগুলোকে সহজে এডিট করা যায়। সাউন্ড জোড়া লাগানো, কাটা, সংকুচিত করা, মিক্সিং প্রভৃতি কাজ গুলো করতে সফটওয়্যারটি পারদর্শী।


৩. Blender:
blender
3D অ্যানিমেশন তৈরীর জন্য Blender একটি মুক্ত সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি মডেলিং, UV আনর‍্যাপিং, টেক্সারিং, স্কিনিং, রিগিং, রেন্ডারিং এবং 3D অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ব্লেন্ডার এতটাই সমৃদ্ব যে একে 3D ম্যাক্স ও মায়ার সাথে তুলনা করা হয়।


৪.ClamWin:
clamwin
ClamWin একটি ফ্রি অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি Windows 98/Me/2000/XP তে ব্যবহার করা যায়। ClamWin কে বিভিন্ন বাণিজ্যিক অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার যেমন- নরটন, ম্যাকাফির বিকল্প হিসেবে গন্য করা হয়। সফটওয়্যারটি তার বহুবিধ ফিচার দিয়ে শক্তিশালী ভাইরাস ও স্পাইওয়্যার ধরতে সক্ষম। এটি সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয় এবং মাইক্রোসফট আউটলুকে ই-মেইল অ্যাটাচমেন্টে ভাইরাস স্ক্যান করতে সহায়তা করে।


৫. eMule:
emule
eMule ওপেন সোর্স ভিত্তিক সাধারন পিয়ার-টু-পিয়ার(P2P) ফাইল শেয়ারিং টুল।

৬. Feedreader:
feedreader
Feedreader একটি মুক্ত ডেস্কটপ আরএসএস অ্যাগ্রিগেশন টুল। সফটওয়্যারটি ডেস্কটপে আপনার প্রিয় ওয়েবসাইট থেকে সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট নামাতে সক্ষম। এটি অবিরতভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আর্টিকেল ডেস্কটপে শো করবে।


৭. Filezilla:
filezilla
ফাইলজিলা একটি এফটিপি ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি FTP,SFTP,FTPS প্রটৌকলসমূহ সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করা বেশ সহজ এবং এটি নিরাপদ এফটিপি প্রটৌকল। এর অন্যতম ফিচার হল সার্ভারে আপলোড অথবা ডাউনলোড চলাকালে রিজিউম সাপোর্ট করে।


৮. Firefox:
firefox
ফায়ারফক্স বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় মুক্ত ওয়েব ব্রাউজিং প্লাটফরম। এর সাথে নতুন করে পরিচয় করে দেওয়ার কছু নেই। বর্তমানে অনেকেই এটি ব্যবহার করছেন। প্রচুর অ্যাড-অনের সমাহার ব্রাউজারটিকে অত্যন্ত শক্তিশালী করে তুলেছে। ইন্টারনেট এক্সপোলারের চেয়েও এটি অধিক নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের সুবিধা দেয়।


৯. GIMP:
GNU ইমেজ ম্যানিপুলেশন প্রোগ্রাম(GIMP) একটি মুক্ত গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার। এটি অত্যন্ত চমৎকার একটি সফটওয়্যার যা ব্যয়বহুল ফটোশপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গিম্পে মোটামুটি ফটোশপের মতই কাজ করে এবং এতে অনেক ইমেজ এডিটিং অপশন রয়েছে।



১০. Inkscape:
inkscap
ইঙ্কস্পেস মুক্ত ভেক্টর গ্রাফিক্স এডিটর সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটি এতই সমৃদ্বশালী যে একে বাণিজ্যিক সফটওয়্যার তথা Corel Draw, Adobe Illustrator, Freehand অথবা Xara X এর মত সফটওয়্যারের সাথে তুলনা করা হয়। নিজস্ব ফরম্যাট হিসেবে এরা Scalable Vector Graphics (SVG) এবং XML বেস্‌ড W3C স্টান্ডার্ড ব্যবহার করে থাকে। ওয়েব ২.০ এর বাটন,লোগো,আইকোন,ব্যানার ইত্যাদি তৈরীতেও এটি ব্যবহার করা হয়।


১১. Juice:
juice
জুস একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ভিত্তিক ক্রস-প্লাটফরম পোডকাস্ট রিসিভার অ্যাপ্লিকেশন। এটি ogg ও mp3 এর মত পোডকাস্ট মিডিয়া ফাইল ডাউনলোড করতে ব্যবহৃত হয়। জুস ব্যবহার করে পোডকাস্ট সিডিউল করা যায় এবং জুস আপনাকে নতুন পোডকাস্টের প্রাপ্যতা সম্পর্কে আপনাকে অবগত করবে। ডাউনলোডকৃত মিডিয়া ফাইলগুলো কপি হয়ে একটি ডিজিটাল প্লেয়ারে চলে আসে।


১২. OpenOffice.org:
open office
জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠান স্টার অফিস নামক একটি সফটওয়্যার তৈরী করেছিল যা পরবর্তীতে সান মাক্রোসিস্টেম কিনে নেয় এবং ১৯৯৯ সালে বিনামূল্য মুক্ত করে। মাইক্রোসফট অফিসের মতই ফিচারগুলো ওপেন অফিসে বিদ্যমান। বর্তমানে এর বাংলা ইন্টারফেস পাওয়া যাচ্ছে। ওপেন অফিসের ডিফল্ট ফরম্যাট হল ওডিএফ। বর্তমানে এটি এতই বিস্তার লাভ করেছে যে ১১০টির অধিক ভাষায় সফটওয়্যারটি পাওয়া যাচ্ছে।


১৩. Programmers Notepad:
programmer
Programmer’s Notepad হল প্রোগ্রামাদের জন্য একটি সাধারন টেক্সট এডিটর সফটওয়্যার। কোড ফোল্ডিং, আউটলাইনিং, সিএসএস ব্যবহার করে এইচটিএমএলে এক্সপোর্ট, ওয়ার্ড র‍্যাপিং প্রভৃতি এই সফটওয়্যারটি দিয়ে করা যায়।


১৪. Sunbird:
sunbird
সানবার্ড মোজিলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক তৈরীকৃত একটি ডেস্কটপ ক্যালেন্ডার অ্যাপ্লিকেশন।






১৫. Thunderbird:
thunderbird
থান্ডারবার্ডও মোজিলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক তৈরীকৃত একটি ডেস্কটপ ই-মেইল অ্যাপ্লিকেশন। এটি ই-মেইল ব্যবস্থাপনাকে সহজতর ও গতিশীল করে। থান্ডারবার্ডে সহজে ইনবক্সকে ম্যনেজ করা যায়।





১৬. VLC media player: এ মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় মিডিয়া প্লেয়ারের মধ্যে ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার একটি। এটি কেবল সর্বাধিক প্রচলিত ভিডিও ফরম্যাটগুলোকে সাপোর্ট এবং এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরমাটে কনভারশনই করে না, এর মধ্যে বিল্ট ইন আছে একটি ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভারও। এজন্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন হবে ভিডিও ফাইল বা ভিডিও ক্যাপচার ডিভাইস এবং অনলাইনে ভিডিও সম্প্রচার শুরুর করার জন্য কয়েকটা মাউস কিক।

ল্যাপটপ ভালো রাখতে

ল্যাপটপের ভালো রাখার জন্য নিচের ট্রিক্সগুলো ব্যবহার করুনঃ
laptop১। ল্যাপটপের ব্যাটারীর বেস্ট পারফরমেন্সের জন্যঃ
ক) ব্যাটারীতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
খ) দরকার ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন ।
গ) ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন ।
ঘ) হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারন সিডি/ডিভিডি রম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
ঙ) এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করে এমন ভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না ।
চ) সাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
ছ) মাঝে মাঝে ব্যাটারীর কানেক্টর লাইন পরিস্কার করুন।
জ) অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
ঝ) হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইনটিনেন্স কোন কাজ করবেন না।
ঞ) ব্যাটারী দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারী থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারী আয়ু কমে যাবে।

২। মেমরী কম ব্যবহারের জন্য অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম/উইন্ডো মিনিমাইজ করে রাখুন।

৩। মাঝে মাঝে মেমরী ক্লিনের জন্য RamCleaner, RamOptimizer, MemMonster, Free Up Ram, SuperRam,
RamSmash, MemZilla, MemoryWasher জাতীয় সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।
৪। মজিলা অনেক ফ্রেন্ডলি ব্রাউজার হলেও এটা অনেক মেমরি ব্যবহার করে, এখান থেকে মেমরি ব্যবহার করা কমাতে পারেন।
৫। মজিলার প্লাগইনগুলো আপডেট করুন সবসময়।
৬। আমরা অনেকেই মজিলার অনেক এক্সটেনশন ব্যবহার করি মজিলাকে সাজাতে ও অন্যান্য সুবিধা পেতে। কিছু কিছু এক্সটেনশন আছে যা সমস্যা করে পারফরমেন্সে। এসব ঝামেলাকর এক্সটেনশন পরিহার করুন।
৭। ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই নরটন এন্টিভাইরাস না, কারন সিস্টেমকে অনেক স্লো করে।
৮। মাঝে মাঝে অনলাইন থেকেও ল্যাপটপ/পিসি স্ক্যান করতে পারেন।
৯। স্পাইওয়ার মুক্ত রাখুন কারন এগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে রান করে সিস্টেমের পারফরমেন্সে ব্যাঘাত ঘটায়।
১০। পারফরমেন্স বাড়াতে TuneUp Utilities এবং System Mechanic ব্যবহার করুন ।
১১। নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
১২। আপাতত দরকার নাই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।

আমার ব্লগ Copyright © 2011 - 2015 -- Blog Author Kalyan Kundu