এন্ড্রয়েড-৪.৪ কিটক্যাটে নতুন কয়েকটি বৈশিষ্ট্য

এন্ড্রয়েড কিটক্যাট ” -এ যে সব নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয়েছে...
android kitkat

অপটিমাইজ মেমরি :

অসাধারণ আর্কিটেকচার ব্যবহার করে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে এই অপারেটিং সিস্টেমে। মেমরি অপটিমাইজ করার ফলে এন্ড্রয়েড কিটক্যাট অপারেটিং সিস্টেম এখন ৫১২ র‍্যাম এর ডিভাইসেও অনায়েসে চলতে পারবে। আগে যে সব উতপাদকেরা তাদের লো-এন্ড ডিভাইসের জন্য এখনও অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ জিঞ্জার ব্রেড ব্যবহার করে যাচ্ছিল তারা এখন ইচ্ছে করলেই কিটক্যাটে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করতে পারবেন।


গুগল এক্সপেরিয়েন্স লাঞ্চার :

গুগলের এই লাঞ্চারটি এন্ড্রয়েড ৪.৪ এর অংশ নয়, কিন্তু গুগলের নেক্সাস ৫ এ এন্ড্রয়েড ৪.৪ এর সাথে অফিসিয়ালি ইন্টিগ্রেটেড হয়েছে গুগলের এক্সপেরিয়েন্স লাঞ্চারটি। গুগলের সচ্ছ এই অ্যাপ লাঞ্চারটিতে স্ট্যাটাস বার সহ হোম স্ক্রিনে থাকছে নেভিগেশন বার, এই বারটি এখন পুরোপুরি স্বচ্ছ যা অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কে করেছে আরো আকর্ষণীয়। ফলে ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার প্রিয় ওয়াল-পেপারটিকে দেখতে আর কোন অসুবিধে হবে না।


ডায়ালার সার্চ :

এন্ড্রয়েড ৪.৪  কিটক্যাট- এ যুক্ত হওয়া নতুন ডায়ালার এর মাধ্যমে আপনি ব্যবসায়িক উদ্যেশ্যে যে কোন প্রতিষ্ঠানকে কল করতে পারবেন ডায়ালার থেকেই। এই ডায়ালার এখন আপনাকে, আপনার কাছাকাছি আপনার পছন্দের বস্তুটি সম্পকৃত তথ্য যেমন ,ফোন নাম্বার লিস্ট আকারে দেখিয়ে দিতে থাকবে। অথবা এখান থেকে যদি আপনি কোন ফোন কল পান তবে অ্যান্ড্রয়েড স্বয়ংক্রিয় ভাবে গুগলে সার্চ করে আপনাকে ফোন দাতার যথা সম্ভব সঠীক তখ্য আপনাকে দেখানোর চেস্টা করবে। যেমন ধরুন আপনার কোন স্থানীয় দোকানের ফোন নাম্বার দরকার। ডায়ালের এ গিয়ে দোকানের নামটি লিখুন, নাম্বারটি খুজে বের করার কাজটি করবে গুগল।


আপডেটেড হ্যাংআউট এ্যাপস :

গুগল তাদের এন্ড্রয়েড ৪.৪  কিটক্যাট -এ হ্যাংআউট অ্যাপটিকে এসএমএস এর সাথে ইন্টিগ্রেটেড করে দিয়েছে। গুগল চায় যে আপনার সকল মেসেজ একটি স্থানে থাকুক। একারনে ডিফল্ট এ্যাপস কে বাদ দিয়ে এর ব্যাবস্থা করা হয়েছে।


ক্লাউড প্রিন্টিং :

এই সংস্করণটিতে যুক্ত হয়েছে প্রিন্টিং ফ্রেমওয়ার্ক। এন্ড্রয়েড ৪.৪  কিটক্যাটে এই বিল্ট-ইন সিস্টেম ফিচারটি প্রাথমিক ভাবে শুধু মাত্র গুগলের ক্লাউড প্রিন্ট এবং এইচ-পি’র ইপ্রিন্ট সাপোর্ট করবে। কিন্তু ডেভেলপাররা চাইলে এপিআই ব্যবহার করে আরো অনেক প্রিন্টার জুড়ে নিতে পারেন ।

নতুন গ্রে ইন্টারফেস :

পূর্বের সব ভার্শনের জেলি বীনের মত নিওন-ব্লু হ’লো ইন্টারফেস এর পরিবর্তে এবার ব্যবহার করা হয়েছে ধুসর রঙ। যেমন ব্যাটারি, ওয়াই-ফাই, এন্ড্রয়েড ৪.৪  কিটক্যাটের স্টাটাস বারের সেলুলার আইকন গুলো এখন ধুসর। কুইক সেটিং’স প্যানেল সহ গুগলের কি-বোর্ড এর রং এখন ধুসর।

এছারা আরে কিছু নতুন বৈশিষ্ট্য,  যেমন  নতুন কলার আইডি,  ক্রোম ওয়েবভিউ, স্টেপ (হাঁটাচলা) রেকর্ডার-কাউন্টার, উন্নততর কানেক্টিভিটি, স্ক্রিন রেকর্ডার, নতুন লক এবং হোম স্ক্রিন ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট তৈরী করছে নতুন অপারেটিং সিস্টেম 'মিডোরি'

Microsoft Midori
মাইক্রোসফটের একটি Non-Windows ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার নাম মাইক্রোসফট  মিডোরি। আমরা মাইক্রোসফট Midori সম্পর্কে বেশী কিছু না শুনলেও এই প্রকল্পটি নিয়ে মাইক্রোসফট ২০০৮ সাল থেকে কাজ করে আসছে। এই প্রকল্পটি বর্তমান এক্সিকিউটিভ ভিপি টেরি Myerson - এর নেতৃত্বে কাজ করছে। নতুন এই অপারেটিং সিস্টেম টি তৈরীর জন্য একটি নতুন ভাষা (Computer Language) তৈরী করা হয়েছে। যার নাম M # (এম শার্প)। এই নতুন ভাষা টি প্রায় সি# মতো, সি# এর অনেক এক্সটেনশন নিয়ে এটি তৈরী। এই ভাষাটি সম্পূর্ণরূপে  তৈরী সম্পন্ন হলে ওপেন সোর্স এ পরিবর্তিত করা হতে পারে ।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে টিকে থাকতে নতুন প্লাটফর্মের এই অপারেটিং সিস্টেমটি  তৈরীর প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাইক্রোসফট।

আপনার কম্পিউটার কী ভাইরাসে আক্রান্ত ?

কম্পিউটার ভাইরাস কী ?

computer virus


কম্পিউটার ব্যবহার করছেন কিন্তু কম্পিউটার ভাইরাসের নাম শোনেনি এরকম কেউ হয়তো নেই, প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু ভাইরাস সস্পর্কিত অভীগতা আছে, কিন্তু এই কম্পিউটার ভাইরাস আসলে কি ? কীভারে এরা কম্পিউটারের ক্ষতি করে থাকে।
কম্পিউটার ভাইরাস প্রাণীর শরীরে কাজ করে এরকম কোন ভাইরাসের মতো না, অর্থাৎ জীবন্ত কিছু না। কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই নিজে নিজেই কাজ করতে পারে। জীবন্ত ভাইরাসের মত এরা প্রকৃত ভাইরাসটি ফাইল টিকে পরিবর্তিত করতে পারে। যা কম্পিউটারের ম্বাভাবিক কাজ কে ব্যহত করে । 
এই ভাইরাসের সংক্রমন ঘটতে পারে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে। যেমন: পেন ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, কম্পিউটার ফাইল শেয়ারিং, ই-মেইল, এমনকি ইণ্টারনেটের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।

একটি ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারে সাধারনত যে যে সমস্যা গুলো হয়ে থাকে।

১। কম্পিউটার বিভিন্ন ম্বাভাবিক কাজ গুলো হতে বেশি সময় লাগা। যেমনঃ- কম্পিউটার চালু হতে বা নতুন কোন প্রোগ্রাম ইন্সটলের হতে বা কোন ফাইল ওপেন হতে সময় বেশি লাগা, এমনকি অনেক সময় হঠাৎ কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাওয়া।

২। মাঝে মধ্যে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাওয়া।

৩। কম্পিউটার চালু অবস্তায় কিছু মেসেজ দেখতে পাওয়া। যেমনঃ-File not Found, Out Of Memory ইত্যাদি।

৪। হার্ডডিস্কে ফ্রী স্পেস অম্বাভাবিক ভাবে কমে আসা, ডিস্কে ব্যাড সেক্টর তৈরী হওয়া এর ফলে কম্পিউটার এর গতি কমে যাওয়া।

৫। টাস্ক ম্যানেজার কাজ না করা।

৬। অনেক সময় বিভিন্ন ফোল্ডারের আইকন পরিবর্তন করতে না পারা।

৭। Exe, Com, bat ইত্যাদি ফাইল গুলো ডিলিট করে হয়ে যাওয়া, আনেক ফাইল হিডেন ফাইল তৈরী হওয়া ইত্যাদি।

৮। কম্পিউটারে ফাইল গুলো এমন নাম ধারণ করবে যা পড়তে না পারা, ও কিছু কিছু ফাইল নিজে থেকেই হিডেন(Hidden) হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি ।




মাদারবোর্ড কেনার আগে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন।

motherboard
কমপিউটিরে সবথেকে গুরুত্বপূর্ন হার্ডওয়্যার হল, কমপিউটার মাদারবোর্ড। কমপিউটিরে ব্যবহৃত সবরকম যন্ত্রই এই বোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।

ইনটেল চিপসেট ব্যবহার করে মাদারবোর্ড তৈরী করে, এমন অনেক কোম্পানি আছে, কিন্তু  তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যেমন আসুস, গিগাবাইট, এম.এস.আই, ইত্যাদি, তবে ইন্টেল নিজেও মাদারবোর্ড তৈরী করে। এগুলি যেকোন একটি ব্যবহার করে আপনি একটি ভালো মানের কমপিউটার তৈরী করতে পারবেন।

বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী ভালো মানের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া গেলেও , যাদের সার্ভিস ভালো সে সব কোম্পানির বোর্ড-ই কেনা ভাল।

 একটি ভালো মানের মাদারবোর্ড কিনতে আপনি যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। 

১. প্রথম যে বিষয় টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল আপনি কি প্রসেসর ব্যাবহার করেন, তার উপর নির্ভর করবে আপনি কোন মাদারবোর্ড কিনবেন।

২. এরপর যা লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল, মাদারবোর্ডটিতে কি ধরনের মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা আছে (ডি.ডি.আর-২, ডি.ডি.আর-৩, ইত্যাদি ) এবং যে পরিমান মেমরি আপনি চাইছেন তা এই মাদারবোর্ডটিতে ব্যাবহার করা যাবে কিনা।

৩. প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের বাস স্পিড কত এবং এগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কিনা তা দেখে নিবেন। স্পিড বেশি হলে কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন।

৪. মাদারবোর্ডে কতগুলো ইউ.এস.বি পোর্ট আছে তা দেখে নিন। যত বেশি পোর্ট থাকবে তত বেশি ইউ.এস.বি ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এখনকার বেশীরভাগ মাদারবোর্ডে ইউ.এস.বি-৩ পোর্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

৫. মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্ক লাগানোর জন্য কয়টি SATA পোর্ট আছে তা দেখে নিন। বেশি পোর্ট থাকলে সেটি অবশ্যই ভাল।

৬. আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ক্যাপচারিং জাতীয় কাজ করতে চান তাহলে মাদারবোর্ডে পি.সি.আই স্লট আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে। মাদারবোর্ডে কি কি ধরনের স্লট এবং কয়টি করে আছে তাও দেখে নিন।

৭. আপনার যদি সি.পি.ইউ -এর ওভারক্লকিং এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন, তবে খেয়াল রাখবেন মাদারবোর্ডটিতে সি.পি.ইউ ওভারক্লকিং এর সুবিধা আছে কিনা।



পশ্চিমবঙ্গের কিছু কলেজে ভর্তির অনলাইনে ফর্ম জমার সুবিধা।

admission
২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে পশ্চিমবেঙ্গের কিছু কিছু কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ চলছে. যে সব ছাত্র-ছাত্রীরা সদ্য উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করে বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হতে চাইছো তাদের সুবিধার জন্য কিছু কলেজের ওয়েব সাইটের লিংক এখানে দেওয়া হল।






নিচের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটের লিংক গুলোতে ক্লিক করুন।

১) যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা।

২) প্রসিডেন্সি বিশ্ব-বিদ্যালয়, কলকাতা।

৩) আশুতোষ কলেজ, কলকাতা।

৪) স্কটিশ চার্চ কলেজ, কলকাতা।

৫) লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, কলকাতা।

৬) সেন্ট-জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতা।

৭) সুরেন্দ্র নাথ কলেজ, কলকাতা।

৮) যোগমায়া দেবী কলেজ, কলকাতা।

৯) গোয়েঙ্কা কলেজ অফ কমার্স, কলকাতা।

১০) সিটি কলেজ, কলকাতা।

১১) বেধুন কলেজ, কলকাতা। 

১২) পি.ডি ওমেন্স কলেজ, জলপাইগুড়ি।

 ১৩) আনন্দ চন্দ্র কলেজ, জলপাইগুড়ি।

১৪) রায়গঞ্জ ইউনির্ভাসিটি কলেজ, উত্তর দিনাজপুর।

১৫) মালদা কলেজ, মালদা।  

১৬) মালদা ওমেন্স কলেজ, মালদা।

১৭) বালুরঘাট কলেজ, দক্ষিন দিনাজপুর।

১৮) শিলিগুড়ি কলেজ, শিলিগুড়ি।

১৯) লরেটো কলেজ, কলকাতা।

২০) চিত্তরঞ্জন কলেজ, কলকাতা। 

২১) প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ, কলকাতা।

২২) বিদ্যাসাগর কলেজ, কলকাতা।

২৩) বঙ্গবাসী কলেজ, কলকাতা।

 ২৪) গুরুদাস কলেজ, কলকাতা।

২৫) শ্রীশিক্ষায়তন কলেজ, কলকাতা।




২০১৩ তেই আসছে গুগল গ্লাস !

google_glass1গুগল সম্প্রতি তাদের একটি নতুন প্রোডাক্ট বাজারে আনতে চলেছে, যার নাম গুগল গ্লাস (google glass) বা গুগল চশমা। এটি কোন সাধারন চশমা নয়, এটি  চশমা, স্মার্টফোন এবং একটি কমপিউটারের মিলিত রুপ, যার দ্বারা গুগল ম্যাপ, ভিডিও চ্যাট এবং ভয়েস কমান্ড ফিচার ব্যবহার করা যাবে।এটি এ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম কাজ করবে, যা আপনার চশমার মতই কাজ করবে এবং স্মার্টফোনের মত বিভিন্ন তথ্যাবলী ফুটিয়ে তুলবে চোখের সামনে । এছাড়াও এতে রয়েছে একটি ৭২০পি এর ক্যামেরা , যার দ্বারা ছবি তুলতে পারবেন শুধুমাত্র একটি মুখের আদেশ দিয়ে। এবং রয়েছে বিল্ট-ইন ওয়াই-ফাই এবং ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে থ্রিজি ও ফোর-জি ডাটা আদান-প্রদান এর সুবিধা, ও বিল্ট-ইন চিপ।


google_glass
গুগল গ্লাস



গুগল গ্লাসের স্পেসিফিকেশন :

১) ফিটিং: যে কোন ফেস এর মানানসই ফ্রেম এবং নোজ প্যাড
২) ডিসপ্লে: উচ্চ রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে। যা ২৫ ইঞ্চি উচ্চ রেজ্যুলেশনের স্ক্রিণের সমতুল্য।
৩) ক্যামেরা: স্থিরচিত্র- ৫ মেগাপিক্সেল এবং ভিডিও- ৭২০ পি।
৪) কানেক্টিভিটি: ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ।
৫) স্টোরেজ: ১৬ গিগাবাইট স্টোরেজ (১২ জিবি ব্যাবহারযোগ্য) এবং গুগলের ক্লাউড স্টোরেজ ব্যাবহারের সুবিধা ।
৬) ব্যাটারি: সাধারণত একদিন ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। চার্জিং এর জন্য মাইক্রো ইউএসবি ক্যাবল এবং চার্জার ।
৭) যে সব ডিভাইস সমর্থন করবে: যে কোনো ব্লুটুথ সংযোগ থাকা স্মার্টফোন। স্মার্টফোনে কমপক্ষে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম  ৪.০.৩ (আইসক্রিম স্যান্ডউইচ) বা উচ্চতর সংস্করণ থাকতে হবে।

গুগল, ২০১৩ শেষের দিকে গ্লাসটির কনজিউমার ভার্সন বাজারে ছাড়তে পারে। যদিও গুগল গ্লাসটির ডেভেলপার ভার্সন বাজারে ছেড়েছে ১৫০০ মার্কিন ডলার দামে।



ক্লাউড স্টোরেজের সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে !

বর্তমানে ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা বেশ জনপ্রিয়, এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় ফাইল ওয়েবের কোন একটি নিদিষ্ট সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা যেকোনো স্থান থেকে সেগুলো ব্যবহারও করতে পারে। তবে যে কমপিউটার থেকে ফাইল খুলবে, তাতে অবশ্যই ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। বর্তমানে অনেক ব্যবহারকারীই তাদের পোর্টেবল হার্ডডিস্ক বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভের পরিবর্তে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করছে।
এর প্রধান সুবিধা হলো, পোর্টেবল হার্ডডিস্ক বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ সঙ্গে রাখার পরিবর্তে, ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন কমপিউটার থেকে সরাসরি ক্লাউড স্টোরেজে থাকা ফাইল গুলো ব্যবহার করা সম্ভব।

ইন্টারনেট সংযোগ ও ক্লাউড স্টোরেজের সুবিধা যুক্ত এমন একটি কমপিউটারের এক বা একাধিক ফোল্ডারের যাবতীয় ডেটা আপনা-আপনি ক্লাউড স্টোরেজের সঙ্গে সংযুক্ত সার্ভারে গিয়ে সংরক্ষণ ( সিংক্রোনাইজ ) হবে।

ফলে দুটি স্থানে আপনার তথ্য সংরক্ষিত ও সুরক্ষিত থাকছে। কোনো কারণে হার্ডডিস্ক নষ্ট গেলেও তা নিয়ে আর চিন্তায় পড়তে হয় না।

বর্তমানে বেশ কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ প্রদানকারী সংস্থা বিশেষ কিছু সুবিধা যুক্ত, বিনামূল্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্লাউড স্টোরেজ, ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।


ক্লাউড স্টোরেজের জন্য উবুন্টু-ওয়ানে আপনি যেভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন।


১) প্রথমে এখানে ক্লিক করুন।
 

Ubuntu Sign in



২) এরপর create account অপশনে ক্লিক করে নির্দিষ্ট জায়গায় আপনার ইমেল অ্যাড্রেস ও উবুন্টু-ওয়ান অ্যাকাউন্টের জন্য পাসওয়ার্ড টি লিখে send instruction অপশনে ক্লিক করুন।


Ubuntu Account


৩) এরপর ইমেল অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে, উবুন্টু-ওয়ান থেকে পাওয়া মেসেজ থেকে কোড টি টাইপ করে confirm বাটনে ক্লিক করুন।


Ubuntu Confirm



৪) আপনার অ্যাকাউন্ট টি তৈরী হয়ে যাবারপরে এখানে ক্লিক করে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে।Sign me in with my existing account  অপশনে ক্লিক করে নির্দেশ অনুসারে ইমেল অ্যাড্রেস ও উবুন্টু-ওয়ান অ্যাকাউন্টের জন্য পাসওয়ার্ড টি লিখে দেওয়ার পর, ইনস্টল হয়ে গেলে c ড্রাইভে Documents and Settings\user name\ ফোল্ডারে Ubuntu One নামে একটি ফোল্ডার তৈরী হবে। এখানে আপনার যাবতীয় ডেটা রাখলেই আপনা-আপনি ক্লাউড স্টোরেজের গিয়ে জমা হবে।


Ubuntu Instalation


উইন্ডোজ ৮ এ পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক তৈরী

কোন কারনে আপনার কমপিউটারের লগইন পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেন, সে কারনে আপনি কমপিউটার চালু করতে পারছেন না। আর তখনই আপনি এই পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক ব্যবহার করে খুব সহজে কমপিউটার চালু করতে পারবেন। তাহলে চলুন দেখি, লগইন পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার আগে উইন্ডোজ ৮ এ পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক তৈরী করবেন কীভাবে ।

১) প্রথমে কমপিউটারে লগইন করুন যে একাউন্টের পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক আপনি তৈরি করতে চান।
২) Win+F কী চেপে সার্চ অপশনে "password reset" লিখে সার্চ করলে "Create a password reset disk" অপশনে টি পাওয়া যাবে ।
password reset

৩) এবার  Create a password reset disk অপশনে ক্লিক করুন।
password reset disk

৪) Next এ ক্লিক করুন।
৫)  USB flash drive সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করুন।
usb drive

৬)  এবার বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Next এ ক্লিক করুন।
current password

৭)  এবার Yes,এ ক্লিক করুন।
৮) আবার Next এ ক্লিক করুন।
৯) শেষে Finish এ ক্লিক করুন।

এবার পেন ড্রইভটি ওপান করলে দেখা যাবে userkey.psw নামে একটি ফাইল তৈরী হয়েছে, যার সাহায্যে আপনি পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও কমপিউটার চালু করতে পারবেন ।
user key password file

উইন্ডোজ ৮ -এও স্টার্টমেনু ও স্টার্ট বাটন !

উইন্ডোজ ৮ ব্যাবহার করে যারা হতাশ হয়েছেন টাস্কবারে Start Menu এর অনুপস্থিতি দেখে। আবার যাদের প্রথম প্রথম কম্পিউটার Shutdown বাটনটি খুজে পেতে সমস্যা হয়েছে তাদের জন্য উইন্ডোজ ৮ এও আগের মতো  টাস্কবারে Start Menu কে ফিরে পেতে পারেন খুব সহজে।

start menu
উইন্ডোজ ৮ স্টার্টমেনু ও স্টার্ট বাটন



১. ক্লাসিক সেল (Classic Shell)
 ক্লাসিক সেল উইন্ডোজ ৮ এর জন্য তৈরী করা একটি ফ্রি ও ওপেনসোর্স Start Menu । এটিতে উইন্ডোজ-৭,  উইন্ডোজ-ভিস্তা, এক্সপি এর Start menu এর মত থিম রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে কাস্টমাইজ করার সুবিধা।

start menu


ক্লাসিক সেল ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

২. আইওবিট স্টার্টমেনু ৮ (IOBit StartMenu8)
IOBit এর StartMenu8 ও আপনাকে  Start Menu ফিরিয়ে দিতে পারবে। এটা আপনাকে আপনাকে Windows 7 এর Start Menu ব্যাবহারের অনুভূতি দেবে।

Start menu


আইওবিট ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

উইন্ডোজ ৮ এ শাট ডাউন, ষ্টার্ট মেনু, প্রোগ্রাম সার্চ

অনেকেই হয়তো ইতিমধ্যে উইন্ডোজ ৮ ব্যবহার শুরু করে দিয়েছেন। এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেই এর কিছু কাজে অসুবিধার সন্মুখীন হয়েছেন। যেমন শাট ডাউন করা, ষ্টার্ট মেনু না থাকা, প্রোগ্রাম সার্চ করবেন কিভাবে ইত্যাদি।

শাট ডাউন :

আপনি যদি উইন্ডোজ ৮ - এর নতুন ব্যবহারকারী হন তাহলে প্রথমে যে সমস্যায় পড়েছেন তা হচ্ছে আপনার কমপিউটার শাট ডাউন বা রিস্টার্ট করতে খুজে না পাওয়া। স্টার্ট অপশনে কিন্তু পূর্বের মত শাট ডাউন , রিস্টার্ট কিংবা স্লীপ অপশন নেই। অনেকভাবে আপনি কমপিউটারকে শাট ডাউন করাতে পারেন।  Windows key + I চাপলে ডান পাশে দেখুন নতুন একটি ট্যাব আসবে। এই বার নিচ থেকে পাওয়ার (power) বাটন চাপুন। দেখুন শাট ডাউন, রিস্টার্ট ও স্লিপ অপশন দেখা যাচ্ছে , ইচ্ছা মত সিলেক্ট করুন।

start screen


অথবা Alt+ F4 চেপেও আপনি কমপিউটারকে শাট ডাউন করতে পারেন,

shout down


স্টার্ট মেনু :


 উইন্ডোজ ৮ -এ পূর্বের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মত স্টার্ট বাটন নেই। তবে আপনি কিন্তু বেসিক স্টার্ট মেনুতে সহজেই পেতে পারেন, মাউজ বাটনটি স্কিনের বাম পাশের নীচের যে স্থানে নিলে স্টার্ট বাটন দেখা যায়, সেখানে নিয়ে রাইট বাটন চাপুন অথবা আপনি শর্টকাটে চাইলে Win+x চাপুন। তাহলে দেখা যাবে বেসিক কিছু টেক্সট বেস অপশন আসবে যেমন প্রোগ্রাম এন্ড ফিচার, ডিভাইস ম্যানেজার, কন্ট্রোল, টাস্ক ম্যানেজার, ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট, কমান্ড প্রোম্পট, রান ইত্যাদি ।

start menu


সহজে যে কোন প্রোগ্রাম খোঁজা :

আপনি খুব সহজে যে কোন প্রোগ্রাম খুঁজে বের করতে পারেন, এই জন্য আপনাকে স্টার্ট মেনুর ফাকা স্থানে মাউজ রাইট ক্লিক করলে দেখবে নিচের দিকে অল অ্যাপস নামে একটি অপশন এসেছে তাতে ক্লিক করুন। দেখবেন সকল অ্যাপস সম্বলিত একটি উইন্ডো এসেছে। আপনি কিন্তু আরো সহজেই Win +Q বাটন চেপে সার্চ করতে পারেন।

apps
apps


এসএমএস-এর আবিষ্কারক

SMS
মোবাইল থেকে মোবাইলে কোনো  ম্যাসেজ টাইপ করে পাঠানোর যে ব্যবস্থা  বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত, তার নামই এসএমএস বা শর্ট ম্যাসেজিং সার্ভিস (Short Message Service (SMS)।

১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে দীর্ঘ ২০ বছর পেরিয়ে মোবাইল ব্যবহারকারীর কাছে এটি আজ খুবই জনপ্রিয় । ১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম এসএমএসটি পাঠানো হলেও এর ধারণাটি অনেক আগের।

মোবাইল এসএমএস-এর জনক হিসেবে যাকে অভিহিত করা হয়, তার নাম ম্যাট্রি ম্যাক্কোনেন। ফিনল্যান্ডের এই প্রকৌশলী নকিয়া, টেলি ফিনল্যান্ড, ফিনেট নামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি কর্মরত ছিলেন ফিনল্যান্ডের টেলিকম ও পোস্টাল এজেন্সিতে এবং ওই সময়েই এসএমএস সার্ভিস নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।

১৯৯২ সালে ৩ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম টেক্সট ম্যাসেজটি প্রেরণ করেন ২০ বছর বয়সী নেইল পাপওয়ার্থ তার নিজের কমপিউটার থেকে  ভোডাফোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। ম্যাসেজটি রিচার্ড জারভিসের কাছে পাঠানো হয় 'Merry Christmas' লিখে।

২০১৩ তে আসছে গুগল টিভি

google tv
২০১৩ সালে বিশ্ব বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল আনতে চলেছে তাদের তৈরি গুগল টিভি। গুগল, টিভি আনবে এ খবরেই প্রযুক্তি বিশ্বে চলছে নানা ধরনের আলোচনা। আরো একটি নতুন কিছুর অপেক্ষায় সারা বিশ্ব।

গুগল জানিছে, ২০১৩ সালেই ইলেকট্রনিকস পণ্য নির্মাতা এলজি তৈরী দুটি গুগল টিভি বাজারে আনবে।

 টিভিগুলোতে থাকবে কোয়ার্টি রিমোট কন্ট্রোলসহ ন্যাচারাল স্পিচ রিকগনিশনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছারাও আরো নানা রকমের বৈশিষ্ট্য। নানা রকমের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে এ টিভিতে থাকছে কথা বলে নির্দেশ দেওয়ার (ভয়েস কমান্ড) দেওয়ার সুবিধা। এলইডি প্রযুক্তি এই টিভিগুলোতে প্যাসিভ অবস্থায় দেখা যাবে থ্রিডি সিনেমাও।

এলজি তৈরী নতুন টিভি দুটির মডেল হচ্ছে  '৪৭জি২ গুগল টিভি ' এবং  অন্য টি '৫৫জি২ গুগল টিভি'। যার মধ্যে প্রথমটি ৪৭ ইঞ্চি এবং দ্বিতীয়টি ৫৫ ইঞ্চি ।

এছারাও থাকছে অ্যান্ড্রয়েডের হানিকম্ব ৩.২ সংস্করণ, যার ফলে স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটে ব্যবহারের উপযোগী যেকোনো অ্যাপ্লকেশন টিভিতেই ব্যবহার সম্ভব। স্লিম এবং আধুনিক সব সুবিধা যুক্ত নতুন এই টিভির অপেক্ষায় সারা বিশ্ব।


lg google tv
এলজি তৈরী গুগল টিভি


উইন্ডোজ ৮-এর নতুন কিছু ফিচার


windows 8
উইন্ডোজ ৮-এর মেট্রো ইউজার ইন্টারফেজ



১) নতুন মেট্রো ইউজার ইন্টারফেজ।
২) নতুন লক-স্ক্রিণ ।
৩) ছবি এবং পিন কোড ব্যবহার করে নতুন অথেনটিকেশন সিস্টেম।
৪) দ্রুত শাটডাউন এবং স্টার্ট-আপের জন্য হাইব্রিড বুট সিস্টেম।
৫) 'উইন্ডোজ টু গো' ব্যবহার করে ইউএসবি থেকে উইন্ডোজ বুট ও ইন্সটলের সুবিধা।
৬) এপ্লিকেশন স্টোর (এখান থেকে নানা রকমের এপ্লিকেশন ইন্সটল করা যাবে)।
৭) মাইক্রোসফট একাউন্ট (উইন্ডোজ লাইভ/হটমেইল) ব্যবহার করে লগ-ইন করে নানা ধরনের কাজ করার সুবিধা।
৮)  ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ভার্সন ১০ এর সুবিধা ।
৯) ফাইল এক্সপ্লোরারে যুক্ত হয়েছে নতুন রিবন ইন্টারফেস।
১০) নতুনভাবে ডিজাইন করা টাস্ক ম্যানেজার।
১১) নেটিভ ইউএসবি ৩.০ সাপোর্ট যুক্ত করা হয়েছে।
১২) যুক্ত হয়েছে নতুন দুইটি রিকভারি সিস্টেম, রিফ্রেশ এবং রিসেট।
১৩) ফ্যামিলি সেফটি নামক সুবিধা।
১৪) বিল্ট ইন বাংলা ভাষা যা প্রি ইন্সটলড বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ এক্টিভ করতে পারবেন নতুন কন্ট্রোল প্যানেল মেনু থেকে। 
১৫) এবং বিল্ট ইন এন্টিভাইরাসের সুবিধা যা সিস্টেমে রিয়েল-টাইম মনিটরের মাধ্যমে বাড়তি নিরাপত্তা দেবে।


password authentication
ছবির সাহায্যে নতুন অথেনটিকেশন সিস্টেম



কমপিউটার বন্ধ হবে এবার নিজে থেকে

shoutdown
আমরা অনেকেই ইন্টারনেট এ বড় ফাইল বা মুভি বা অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করতে দেই। ফাইল গুলোর সাইজ বড় বলে ডাউনলোড হতে অনেক সময় লাগে। যার ফলে কমপিউটার কে অনেক সময় ধরে চালু হয়। অনেকে আবার রাতে ভাল স্পীড পাওয়ার কারণে রাতে ডাউনলোডে দেন। যার ফলে কমপিউটার সারারাত চালু থাকে। কমপিউটার হয়ত বা নষ্ট হবেনা কিন্তু কমপিউটার এর বাস স্পীড কমে যায়। কিন্তু একটু বুদ্ধি খাটালেই আপনার কমপিউটার নিজে নিজে বন্ধ হবে।

ধরুন আপনি একটা কিছু ডাউনলোডে দিলেন। দেখলেন শেষ হতে ৪০ মিনিট সময় লাগবে। ততক্ষণ আপনি থাকতে পাবেন না ।

turn off


এর জন্য আপনাকে যা করতে হব....
  • ১ ঘন্টা মানে হল ৩৬০০ সেকেন্ড। প্রথমে আপনার কমপিউটার ডেক্সটপে কোন ফাঁকা জায়গায় মাউস এর ডান বাটন ক্লিক করে নিউ থেকে শর্টকাট-এ ক্লিক করুন
  • desktop-->right click-->new-->shortcut
  • এবার নতুন উইন্ডো তে টেক্সট বক্স এ SHUTDOWN -s -t 3600 লিখুন
  • সংখ্যার জায়গায় আপনি আপনার কাঙ্খিত সময় টি সেকেন্ড এ হিসাব করে বসাতে পারেন।
  • এরপর নেক্সট -এ ক্লিক করে শেষে ফিনিশ বাটনে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
  • এবার ডেক্সটপ এ shutdown নামে একটি সর্টকাট তইরি হবে।
  • সেটা তে একবার ক্লিক করে দিলে আপনার কমপিউটার ৩৬০০ সেকেন্ড পর বন্ধ হবে।

shortcut
শর্টকাট তৈরী করার পদ্ধতি




shortcut
শর্টকাট তৈরী করার পদ্ধতি




পেনড্রাইভের সর্বোচ্চ জায়গা ব্যবহার করুন

pendrive
নানা কারণে আমরা পেনড্রাইভ ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পেনড্রাইভের সর্বোচ্চ সংখ্যক জায়গা ব্যবহার করা হয় না । ইচ্ছা করলে আপনার পেনড্রাইভের সর্বোচ্চ সংখ্যক জায়গা ব্যবহার করতে পারেন।

এ জন্য প্রথমেই আপনার পেনড্রাইভের সব ফাইল কম্পিউটারে কপি করে রেখে দিন।এরপর মাই কম্পিউটারে আইকনের উপর রাইট ক্লিক করে Properties/System Properties/Hardware/Device Manager অপশনে যান।
Disk drivers অপশন থেকে আপনার পেনড্রাইভটি খুঁজে বের করুন। যদি আপনি পেনড্রাইভ শনাক্ত করতে না পারেন, তাহলে প্রতিটি ড্রাইভে ডান ক্লিক করে Properties দেখুন।

যে ড্রাইভের Properties উইন্ডোতে device usage বক্সে Use this device (enable) লেখা দেখাবে সেটিই আপনার পেনড্রাইভ। পেনড্রাইভ শনাক্ত করার পর ডান ক্লিক দিয়ে তার Properties-এ যান।
এরপর Policies অপশনে যান Optimize for performance অপশন টি সিলেক্ট করুন।

ফরম্যাট উইন্ডো এলে File system হিসেবে ntfs এবং Allocation unit size হিসেবে 512 bytes দিন এবং Enable compression বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Start -এ ক্লিক করুন।

এরপর থেকে পেনড্রাইভে আগের তুলনায় বেশি ফাইল রাখতে পারবেন।

ফেসবুকে অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগ বন্ধ করুন

ফেসবুকের অন্যতম জনপ্রিয় সুবিধা হলো ছবিতে ট্যাগ করা। অনেক সময় ফেসবুকে বন্ধুরা অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ছবিতে ট্যাগ করে আপনাকে বিব্রত করতে পারে। এ ছাড়া সেসব ছবি দিয়ে অন্য বন্ধুদেরও পাতা (নিউজফিড) ভরে যায়। ফলে অনেকে অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পরিচিত বন্ধুদের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বাদ দিতে বাধ্য হন। এ ঝামেলা এড়াতে ট্যাগ করাটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, এ জন্য

১) প্রথমে প্রাইভেসি সেটিংসে (privacy setting) ক্লিক করুন।

২) এরপর How Tags Work এর এডিট সেটিং-এ ক্নিক করেলে How Tags Work Dialogue Box থেকে Tag Review অপশন টি অন করে দিন।

এতে আপনি অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগিংয়ের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন। যদি কেউ আপনাকে কোনো ছবিতে ট্যাগ করে, তবে ফেসবুক আপনাকে নোটিফিকেশন পাঠাবে। আপনি সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করে Approved করলেই সেই ছবি আপনার প্রোফাইলে আসবে এবং আপনার ফেসবুক বন্ধুরাও তাঁদের নিউজফিডে দেখতে পারবেন। যদি আপনি Approved না করেন, তাহলে সেই ছবি আপনার প্রোফাইলে দেখাবে না এবং আপনার বন্ধুদের নিউজফিডে গিয়ে বাড়তি ঝামেলা সৃষ্টি করবে না।

facebook tag
ফেসবুকে অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগ বন্ধ করার ধাপ


কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কারণ কী ?

Computer Hang
কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ-
কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও গতি নির্ভর করে কম্পিউটারের প্রসেসর উপর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

কম্পিউটার র‌্যামের পরিমাণ কম হলেঃ-
 আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন যাবতীয় তথ্য সাময়িক ভাবে র‌্যামে সঞ্চিত হয় । আর এই র‌্যামের পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না, তখন কম্পিউটারে হ্যাং করে।

কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ-
কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।

প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- 
কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট করার পরেও ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সব কাজ করে থাকে প্রসেসর।

অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ- 
এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা তাকলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।

অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ-
অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল মুছে বা কোরাপ্ট হওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটার চলতে সমস্যা হতে পারে, ফলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ- 
সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়।

অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ- 
হ্যা, এটার কারণে সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ ৫১২ কিন্তু আপনি অনেক গুলো প্রোগ্রাম ওপেন করে রেখেছেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটার র‌্যামে কাজ করার মতো আর কোন খালি জায়গা থাকে না।

হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ- 
কম্পিউটারে র‌্যাম যদি কম হয় কিন্তু যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালানো হয়, তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে, কেননা র‌্যামে তখন কাজ করার মতো আর কোন খালি জায়গা থাকে না।

হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ- 
কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারনত কম র‌্যাম ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়।

কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ- 
কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।

কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ- 
হ্যা, এ কারনেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে, আমরা ভাইরাস হাত থেকে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় এই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার কারার কারনে কম্পিউটার হ্যাং হয়।

ফেসবুক আসক্তি

facebook
গোটা বিশ্ব থেকে প্রায় ৭০ কোটির বেশি লোক ফেসবুকে ব্যবহার করে। এদের মধ্যে কমপক্ষে ২৫ কোটি প্রতিদিন ফেসবুকে লগ-ইন করে। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর গড়পড়তা ১৩০ জন করে ‘বন্ধু’ আছে। প্রত্যেক মাসে ফেসবুকের সব ব্যবহারকারী মিলে এর পেছনে ৫০ হাজার কোটি মিনিট সময় ব্যয় করেন। বহুল আলোচিত সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক এই কথাগুলো নিজেই সদর্পে লিখে রেখেছে তার পরিসংখ্যান পাতায়।


ফেসবুকের দাবি করে, ব্যবহারকারীরা এক মাসে তার ফেসবুকের জন্য ৫০ হাজার কোটি মিনিট ব্যয় করে। এই বিপুল সময়কে ঘন্টা, দিন, বছর এভাবে হিসাব করলে আসে ৯ লাখ ৫১ হাজার ২৯৩ বছর। অর্থাৎ বিপুল জনগোষ্ঠীর এক মাসের মোট সময় থেকে সাড়ে ৯ লাখ বছর ফেসবুকের জন্য খরচ করাতে পারা ফেসবুকের কাছে দারুণ গর্বের বিষয়। ফেসবুকের নিজের এই গর্বের পেছনে যুক্তি আছে। কিন্তু যারা সেই সময়টা ফেসবুককে ‘উৎসর্গ’ করছে তারা কি পাচ্ছেন সেটা জানার জন্য ফেসবুক কি সে সম্পর্কে একটু ধারণা থাকা দরকার।

যারা ফেসবুক নিয়ে সময় কাটান না তাদের জানা উচিত তারা জিতছেন নাকি ঠকছেন। আর মা-বাবাদের জানা উচিত তাদের সন্তানরা ফেসবুকে বুঁদ হয়ে আসলেই কতটা ‘সামাজিক’ হয়ে বেড়ে উঠছে। এতে তাদের ছাত্রজীবন কিংবা ক্যারিয়ার জীবন কতটুকু লাভবান হচ্ছে।


ফেসবুক কি ?

ফেসবুক নিয়ে এত আলোচনা দেখে যারা এটি সম্পর্কে জানেন না তাদের অনেকের ধারণা হতে পারে ফেসবুক হয়তো জাতিসংঘের মতো কোনো ‘বিশ্বপ্রতিষ্ঠান’ যা বিশ্ববাসীকে ‘সামাজিক’ বানানোর দায়িত্ব পালন করে থাকে। আসলে ফেসবুক একটি ওয়েবসাইট ছাড়া আর কিছুই নয়। পৃথিবীর কোটি কোটি ওয়েবসাইটের মধ্যে একটি হচ্ছে এই ফেসবুক ডটকম। ফেসবুকে আপনিও একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন যেমন হটমেইল, জি-মেইল, ইয়াহু ইত্যাদিতে ফ্রি ইমেইল অ্যাড্রেস খোলা হয়। এরপর আপনি ফেসবুকে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে আপনার পরিচয় লিখতে পারেন। আপনার ব্যক্তিগত ছবি রাখতে পারেন। আপনার বর্তমান অবস্থা, অবস্থান ইত্যাদি লিখে রাখতে পারেন। অন্যরা আপনাকে ‘বন্ধু’ হিসেবে তাদের অ্যাকাউন্টে যোগ করলে আপনার অ্যাকাউন্টে যা লিখে রেখেছেন কিংবা যেসব ছবি সেখানে দিয়ে রেখেছেন সেগুলো সবাই দেখতে পাবে। আপনার মন্তব্যের বিপরীতে কিংবা আপলোড করা ছবি নিয়ে অন্যরা মন্তব্য করতে পারে। একজনকে কিংবা একসাথে সর্বোচ্চ ২০ জনকে গ্রুপ মেসেজ পাঠাতে পারেন। দিন-রাত গেম খেলে সময় পার করে দিতে পারেন। অন্যদের প্রোফাইলে ঢুকে তারা যে মন্তব্য লিখে রেখেছেন কিংবা যেসব ছবি দিয়ে রেখেছেন তার বিপরীতে মন্তব্য লিখতে পারেন। এভাবে মন্তব্য কিংবা পাল্টা-মন্তব্য চালিয়ে যেতে পারেন। মোটামুটি এই হলো ফেসবুক এবং তার ‘সামাজিক যোগাযোগ’। .


তরুণ প্রজন্ম সামাজিক হচ্ছে ?

 তরুণ প্রজন্ম ফেসবুকের মাধ্যমে কি ধরনের সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করছে সেটা পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে এদের মধ্যে অনেকে স্কুলছাত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত। এদের কমেন্ট লেখা গুলো  বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এদের মধ্যে কেউ কেউ রাত ১১ টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটের পেছনে সময় ব্যয় করেছে! তাদের ‘অ্যাকটিভিটি’ লিস্ট থেকে দেখা যায় সবাই এই সময়টুকু বিভিন্ন মেয়ের প্রোফাইলে মন্তব্য লিখে সময় কাটিয়েছে। একজন স্কুলছাত্র এক রাতে সর্বোচ্চ ৪১ জন মেয়ের প্রোফাইলের ওয়ালে কিংবা স্ট্যাটাসে মন্তব্য লিখেছে! মন্তব্যগুলো পড়লেই বোঝা যায়, এদের মধ্যে কেউই তাদের পরিচিত নয়। মোটামুটি মন্তব্যগুলোর ধরন এরকম, ‘আমি তোমার বন্ধু হতে চাই’, ‘তুমি এত সুন্দরী’, ‘বৃষ্টিতে ভিজলে তোমাকে দারুণ লাগবে’ ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় সব কথা। আর কেউ অন্যের ছবির অ্যালবামে ঢুকে সেখানে অশ্লীল মন্তব্য লিখেছে! তারা নিজের প্রোফাইলে হয়তো কোন কবিতার লাইন লিখে রেখেছে কিংবা ‘বন্ধুরা কেমন আছো’, কিংবা ‘পড়াশোনা ভালো হয়নি পরীক্ষায় ফেল করব’ ইত্যাদি ইত্যাদি। বেশিরভাগ মেয়ের আপলোড করা ছবিতে ছেলেরা হয় সৌন্দর্য্যরে প্রশংসা করেছে কিংবা অশ্লীল মন্তব্য লিখে রেখেছে। এভাবে দিনের কিংবা রাতের মূল্যবান সময় খরচ করে ‘সামাজিক যোগাযোগ’ রক্ষা করছে তরুণ প্রজন্ম!



বাঙালীর ফেসবুক বিলাস

পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ মিলে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলেছে প্রায় ২০ লাখের বেশি। এদের মধ্যে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ তরুণীর সংখ্যা প্রায় শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ, যে বয়সটার মূল ব্রত হওয়া উচিত শিক্ষালাভ কিংবা ক্যারিয়ার গঠনে মনোনিবেশ। প্রতিটা ঘন্টাই যাদের জন্য অসীম গুরুত্বপূর্ণ তারা রাত জেগে এই ‘সামাজিক যোগাযোগ’ রক্ষা করে চলেছে! ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে বয়সীদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারী আছেন শতকরা প্রায় ১০ ভাগ। অর্থাৎ, অপচয় করার মতো সময় যে বয়সী লোকদের থাকার কথা, কিংবা পুরানো বন্ধুবান্ধব কিংবা আত্মীয়-পরিজনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার কথা যাদের, ফেসবুকের প্রতি তাদের আগ্রহ সামান্যই। ফেসবুক টিকে অল্পবয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যবান সময় গলধকরণ করে । ফেসবুক ছাত্রদের সাধনা? অধ্যয়নই ছাত্রদের একমাত্র তপস্যা- এই কথা বলে যুগে যুগে অভিভাবক ও শিক্ষকরা ছাত্রদের পড়াশোনায় উজ্জীবিত করে আসছেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে বাংলাদেশী কিছু ফ্যাশন হাউস বাজারে তরুণ-তরুণীদের জন্য টি-শার্ট ছেড়েছে যার বুকের ওপর লেখা ‘ফেসবুকই আধুনিক ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র তপস্যা!’ যে ফেসবুক ছাত্রছাত্রীদের মূল্যবান সময় এভাবে গিলে খাচ্ছে, রাত জাগিয়ে স্বাস্থ্যহানি ঘটাচ্ছে সেই ফেসবুকের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে এভাবে আসক্ত করার চেষ্টা কতটা দেশপ্রেমের পরিচয় সে প্রশ্ন অভিভাবকদের মনে জাগাই স্বাভাবিক।


মিথ্যা আর ছলনার বেসাতি

সরাসরি কারো সঙ্গে দেখা হয় না বলে ফেসবুক মিথ্যা আর ছলনা চর্চার উৎকৃষ্ট এক স্থান। যে যা নয়, তাই সাজার চেষ্টা করে অগণিত ব্যবহারকারী। পুরুষরা নারীর পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খোলে। আবার অনেক পুরুষ নিজেদের অনেক জ্ঞানী, ধনী কিংবা বিদ্যান পরিচয় দিয়ে নারীদের মন জয় করার চেষ্টা করে। মিথ্যা কথা বলে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর টানার চেষ্টা চলে। কিংবা সুন্দরী মেয়ে সেজে ব্যর্থ কিংবা হিংসুটে প্রেমিক তার প্রেমিকার মোবাইল নাম্বার ফেসবুকে হাজার হাজার ব্যবহারকারীর মধ্য ছেড়ে দেয়। কিংবা মেয়েদের ছবি কপি করে ফটোশপের সাহায্যে পর্ণো তারকাদের শরীরে জুড়ে দিয়ে ‘গোপন ক্যামেরায় তোলা’ বলে মেয়েটিকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা চালায়।



উন্নত দেশগুলোর কি অবস্থা

বাড়ি কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বসে অনেক ছাত্রছাত্রী কিংবা অফিসে বসে অনেক কর্মচারী ফেসবুকে সময় ব্যয় করাকে ‘সামাজিক যোগাযোগ’ বলে মনে করলেও তার সাথে একমত নয় উন্নত দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একং বড় বড় করপোরেট অফিস ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জার্মানী, ইটালিসহ উন্নত দেশগুলোর অধিকাংশ নামকরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেসবুক ব্লক করা। এছাড়া বিখ্যাত আইটি ফার্ম রবার্ট হাফ টেকনোলজির পরিচালিত গবেষণা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ করপোরেট অফিসে ফেসবুক নিষিদ্ধ। এই হার ব্রিটেনে প্রায় ৭০ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়াতে প্রায় ৫৫ শতাংশ। ফ্রান্স, স্পেন, ইটালি, জার্মানী, জাপানসহ বহু দেশের অগণিত প্রতিষ্ঠানে ফেসবুক বন্ধ করে রাখা হয়। অনেক অফিসে ফেসবুক ব্যবহার ‘ছাঁটাইযোগ্য অপরাধ’ হিসেবে নিয়োগপত্রে শর্ত দিয়ে থাকে। ব্রিটেনে স্মার্ট আইটি পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৫৭ শতাংশ অফিস কর্মচারী স্বীকার করেছেন, বাড়ির পরিবারের লোকজনকে সময় দিতে হয়, তাই ফেসবুকে ব্যয় করার সময় তারা বের করেন অফিসে গিয়ে! ভারতেও বহু শিক্ষা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ফেসবুক বন্ধ করে রেখেছে। এশিয়াতে জাপানে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ লাখ আর চীনে মাত্র ৩৬ হাজার।


ফেসবুক আঙুল ফুলে কলাগাছ

বসে বসে বন্ধু খোঁজা এবং শত শত ফেসবুক ব্যবহারকারীর প্রোফাইলে মন্তব্য লেখাকে আপনি সামাজিকতা মনে করেন? তাহলে আপনাকেই দরকার ফেসবুকের। কারণ আপনি যত বেশি ‘সামাজিক’ হবেন ফেসবুকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তত টাকা জমা হবে। ফেসবুক ওয়েবসাইটে ঢুকে যত বার যেকোন লিংকে ক্লিক করবেন ততবার নতুন করে বিজ্ঞাপন লোড হবে (ডান পাশের সাইডবারে)। একবার লোড হলে তাকে ১ ইম্প্রেশন বলে। প্রতি ১ হাজার ইম্প্রেশনের জন্য ওই বিজ্ঞাপনদাতার নিকট থেকে ফেসবুক নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকে। আর ক্লিক করলে তো আরো ভাল। দারুণ ব্যবসা! এই ব্যবসায়ে মূলধন হচ্ছে আপনার মতো ‘সামাজিক’ মানুষের অপচয় করা সময়। আপনি যত ক্লিক করবেন তত ইম্প্রেশন। দিন শেষে কয়েক কোটি ইম্প্রেশন দেখে ফেসবুক মালিকদের চোখে খুশির ঝিলিক ওঠাই স্বাভাবিক। কারণ কয়েক কোটি ইম্প্রেশন মানে নিদেনপক্ষে কয়েক লাখ ডলার! ব্যবহারকারীরা ঘুর্নাক্ষরেও বুঝতে পারছেন না তাদের ব্যবহার করে কিভাবে কোটি কোটি ডলার আয় করছেন ফেসবুকের কর্ণধারেরা। ২০০৯ সালে ফেসবুকের আয় ছিল ৫৫০ মিলিয়ন ডলার। আর ২০১০ সালে আয় ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে তারা। একজন ব্যবহারকারীর দ্বারা সিপিএম অ্যাড থেকে ২ ডলার আয়ের টার্গেট থাকে ফেসবুকের।


ফেসবুক পক্ষাবলম্বনকারীদের যুক্তি

ফেসবুকে ছেলেবেলার বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া যায়। তাই যদি হয় তাহলে স্কুল বা কলেজে যাদের একসঙ্গে পড়েছেন তাদের খুঁজে বের করা কি জীবনের বড় ব্রত? একজন মানুষের জীবনকালে এই বন্ধু খুঁজে বের করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? ছাত্র জীবন, পারিবারিক জীবন, ক্যারিয়ার জীবনের চেয়েও ? ছাত্র জীবন ধ্বংস হচ্ছে, পারিবারিক জীবনে অশান্তি আসছে, ক্যারিয়ার জীবনে মনোনিবেশ কমছে। ক্যারিয়ার জীবনে এসে যাদের সঙ্গে সরাসরি কিংবা ফোনে যোগাযোগ আছে সামাজিকতার জন্য তারাই কি যথেষ্ট নয়? সবার প্রোফাইলে ঢুকে ‘কমেন্ট’ লেখাই কি সামাজিকতা? একজন মানুষ কি দৈনিক ৩-৪ ঘন্টা এই ওয়েবসাইটে ব্যয় করছে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের খুঁজতে?


চোরাবালি

বুদ্ধি আছে বটে ফেসবুকের নির্মাতাদের। কেউ যদি মনে করে থাকেন ফেসবুকে ঢুকে ‘মাত্র’ দুই/এক ঘন্টা ব্যয় করে বের হব, তবে সে গুড়ে বালি! কারণ ফেসবুক চোরাবালি বিছিয়ে রেখেছে এর নির্মাণশৈলীতে। এই চোরাবালির কাজ করছে কোটি কোটি সুন্দরী তরুণীর ছবি। কিশোর, তরুণ, যুবক, প্রৌঢ় পর্যন্ত ছুটছে এসব নাম ঠিকানা না জানা ‘সুন্দরী’ দের পিছে। এসব সুন্দরীদের প্রায় অর্ধেকই ভুয়া। তবুও ছায়ার পেছনে ছুটছে তারা। একবার বন্ধু তালিকায় যোগ করে শুরু হয় তার মন যোগানোর পালা। বিভিন্নভাবে তাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা। দুই-এক দিন না যেতেই এবার মোবাইল নাম্বার চাওয়া শুরু। প্রেম নিবেদন শুরু। এক মেয়ের ছবির নিচে প্রশংসা বাণী লিখছে শত শত পুরুষ।


জীবনে কত বন্ধুর প্রয়োজন

ফেসবুকে একজন পুরুষের গড়ে আড়াইশ’ বন্ধু আছে। আর একজন মেয়ের গড়ে ১ হাজার বন্ধু আছে! কোনো কোনো মেয়ের বন্ধুসংখ্যা ৫ হাজার! পুরুষের বন্ধু তালিকায় যারা থাকে তার অল্প কয়েকজন তার চেনাজানা পুরুষ কিংবা নারী বন্ধু আর বাকিরা হয় অপরিচিত নারী কিংবা নারীর ছদ্মবেশী পুরুষ। তরুণরা ফেসবুকে ঢুকে মেয়ে ব্যবহারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণে বেশিরভাগ সময় ব্যয় করে।



রুচি বিকৃতদের স্বর্গরাজ্য

মানুষ কিভাবে তাদের মেধার অপচয় করতে পারে ফেসবুক তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ফেসবুকে লাখ লাখ ছবি, কার্টুন ও ভিডিও যোগ করে ব্যবহারকারীরা। এসব ছবির মধ্যে আছে দেশ, জাতি কিংবা ব্যক্তির প্রতি ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়ানোর উপকরণ। কিংবা বীভৎস দৃশ্যের ছবি। বিশ্বের বিখ্যাত মনীষী, রাজনীতিক, কিংবা ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ ও আপত্তিকর ছবি শেয়ার করে মজা পায় এক শ্রেণীর কুরুচিপূর্ণ মানুষ। যতই সম্মানিত ব্যক্তি হোক না কেন, তার ব্যাঙ্গাত্মক ছবি যখন মানুষের হাসির খোরাক যোগায় তখন সেটাকে নিছক গণতান্ত্রিক অধিকার বলার সুযোগ নেই। সংবাদপত্রের পাতায় রাজনীতিবিদদের কার্টুন আর ভিন্নমত পোষণকারী সাধারণ মানুষের বিদ্বেষমূলক কার্টুন এক হতে পারে না। এরা নিজের প্রোফাইলে এসব ছবি ঢুকিয়ে অন্যের প্রোফাইলে ‘ট্যাগ’ করে দেয়। যার প্রোফাইলে ছবি ট্যাগ করা হয় সে নিজে তো দেখতে পায়, তার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা অন্য সবাইও তা দেখতে পাবে। সেখান থেকে সমমনা কুরুচির কয়েক ডজন ‘বন্ধু’ হয়তো তাদেরও বন্ধুদের প্রোফাইলে ‘ট্যাগ’ করে দিল সেখান থেকে প্রত্যেকের কয়েক ডজন করে বন্ধু তাদের বন্ধুদের ‘ট্যাগ’ করে দিল যাকে বলে চেইন রিয়েকশন! মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে লাখ লাখ মানুষের মধ্যে। চলে হাসাহাসি, ঠাট্টা ,বিদ্রুপ, বিকৃত আনন্দ ভোগ। অনেকে আবার মেয়েদের ফটো অ্যালবাম থেকে ছবি নিয়ে সেই ছবির মাথা কম্পিউটারের সাহায্যে পর্ণো তারকাদের দেহে জুড়ে দিয়ে তার প্রোফাইলেই আবার ট্যাগ করে দেয়! পৃথিবীর কোটি কোটি পুরুষের কম্পিউটারে একজন মেয়ের ছবি থাকা অবশ্যই নিরাপদ নয়; কিন্তু ফেসবুকের কল্যাণে তাই ঘটছে। নিজেও জানেন না, আপনি সামাজিকতা পালন করতে গিয়ে যে ছবি শেয়ার করেছেন তা কত কোটি বখাটে পুরুষের কম্পিউটারে সেভ করা হয়েছে।




ফেসবুকের সবটাই খারাপ ?

 না। খুব কম জিনিসই আছে যার সবটুকু খারাপ। ফেসবুকও তেমনি। ফেসবুকে একটি মন্তব্য লিখে আপনি সবাইকে জানিয়ে দিতে পারেন আপনার অবস্থা কিংবা অবস্থান। সেলিব্রেটিরা তাদের ভক্তদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে পারেন। বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ রাখতে পারে ক্লায়েন্টদের সাথে। বিভিন্ন গ্রুপ করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে পরস্পরের সাথে। নিজের অনুভূতি শেয়ার করতে পারেন বন্ধুদের সাথে। এছাড়ও ইমেইল কিংবা ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জারের মতো বিকল্প অনেক রাস্তা আছে, যেগুলোকে বিকল্প যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

facebook user


এই লেখাটি  Shohan ahamed লেখা থেকে ও  কিছু নিজের অভিগতা থেকে লেখা ।

উইন্ডোজে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করবেন কিভাবে ?

internet speet
Widows আমাদের ব্যবহৃত ইন্টারনেটের গতির প্রায় 20% কমিয়ে রেখে দেয় । Windows এটা করে,  কারন তার Update নেয়ার জন্য । আর তাই আমরা Windows Update এর বেশীর ভাগ সময় বুঝতে পারিনা । কিন্তু Internet Browsing সময় এই 20% কম গতিতে ব্রাউজিং করতে হয় । তবে সামান্য কিছু পরিবর্তন করলেই ইন্টারনেটের গতি কিছুটি বাড়িয়ে নিতে পারি ।




কিভাবে এই কাজটি করবেন ?

1. প্রথমে  ক্লিক করুন Run option ।
2. এখানে gpedit.msc টাইপ করে এন্টার কী প্রেস করুন ।
3. এরপর Administrative Templates -এ ডাবল ক্লিক করুন ।
4. Network -এ ডাবল ক্লিক করুন ।
5. QoS Packet Scheduler -এ ক্লিক করুন ।
6. বামদিকে Limit Reservable Bandwidth লেখাটির উপর ডাবল ক্লিক করুন ।
7. এখন  Enable অপশনে ক্লিক করে Bandwidth Limit(%) 0 করে দিন ।
8. এরপর Apply -এ ক্লিক করে OK বাটনে ক্লিক করুন ।

শেষে কমপিউটার কে একবার Restart করে নিন । এরপর আশা করি আগের থেকে কিছুটা বেশি গতি অনুভব করতে পারবেন ।

থ্রিজি প্রযুক্তি কি ?

থ্রিজি প্রযুক্তিকে বলা হয় তৃতীয় প্রজন্মের তারবিহীন প্রযুক্তি(Third Generation of Wireless Technologies)। ডব্লিউ-সি. ডি.এম.এ. (W-CDMA), ডব্লিউ.এল. এ.এন (WLAN) এবং সেলুলার রেডিও এরকম অন্যান্য আরো প্রযুক্তির সম্মিলিত সংস্করণ হলো থ্রিজি প্রযুক্তি।  এটি পূর্বের ওয়ারলেস প্রযুক্তি গুলোর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত একটি প্রযুক্তি। এটি যেমন দ্রুত গতিতে তথ্য আদান প্রদান করতে পারে, তেমনি উন্নত মাল্টিমিডিয়া ও বিশ্বব্যপী রোমিং সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম। থ্রিজি প্রযুক্তিটি মূলত ব্যবহার করা হয় মোবাইল ফোনের জন্য।



থ্রিজি প্রযুক্তি কেন উন্নত ?

১। অনেক দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ক্ষমতা ।
২। অডিও এবং ভিডিও হিসেবে তথ্য আদান প্রদান সুবিধা ।
৩। ভিডিও কনফারেন্স সামর্থন ।
৪। উচ্চগতি সম্পন্ন ওয়েব এবং ওয়াপ ইন্টারনেট ব্রাউজিং  ।
৫। আই.পি.টিভি ( ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিভি দেখা সম্ভব ) ।



থ্রিজি প্রাযুক্তিতে তথ্য আদান প্রদান গতি :

দ্রুত গতিতে চলমান অবস্থায় তথ্য আদান প্রদানের  গতি ১২৮ থেকে ১৪৪ কিলোবাইট পার সেকেন্ড।
কম গতিতে চলমান অবস্থায় তথ্য আদান প্রদান  ৩৮৪ কিলোবাইট পার সেকেন্ড।
স্থির অবস্থায় তথ্য আদান প্রদান গতি ২ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

আমার ব্লগ Copyright © 2011 - 2015 -- Blog Author Kalyan Kundu